চুলে অকালপক্বতা রোধে বা সাদা চুল কালো করতে বর্তমানে অনেকেই কৃত্রিম কলপ বা ডাই ব্যবহার করেন। কিন্তু রাসায়নিকযুক্ত এসব প্রসাধনী চুলের গোঁড়া দুর্বল করে দেয় এবং চুল পড়ার হার বাড়িয়ে দেয়।
এই ঝামেলা এড়াতে এবং কোনো ক্ষতি ছাড়াই পাকা চুল কালো করতে ভরসা রাখতে পারেন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক দুটি উপাদানের ওপর। নিয়মিত চা পাতা এবং কারি পাতার (অথবা তেজপাতা) সঠিক ব্যবহারে চুল হবে কুচকুচে কালো, মজবুত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল অতিরিক্ত ব্যস্ততা আর মানসিক চাপের কারণে অল্প বয়সেই চুলে পাক ধরছে। এই সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া পদ্ধতিতে চা পাতা ও কারি পাতার মিশ্রণ ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
প্রথমে কারি পাতা বা তেজপাতা কুচি করে নিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে। পানির রং বাদামি হয়ে ঘন হয়ে আসলে তা ছেঁকে নিতে হবে।
একইভাবে অন্য একটি পাত্রে এক চামচ চা পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে গাঢ় খয়েরি রঙের লিকার তৈরি করে নিতে হবে।
চুলের স্থায়ী রং ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই দুই ধরনের পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। আরও ভালো ফল পেতে এই মিশ্রণে এক চামচ কফি পাউডার যোগ করা যেতে পারে।
মিশ্রণটি তৈরির পর আধা ঘণ্টা রেখে দিয়ে প্রথমে চুল ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর ব্রাশ বা স্প্রে বোতলের সাহায্যে চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত মিশ্রণটি সমানভাবে লাগিয়ে অন্তত দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
চুলে মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
তবে মনে রাখতে হবে, এই মিশ্রণ ব্যবহারের আগে চুল অবশ্যই শ্যাম্পু করে শুকিয়ে নিতে হবে এবং মিশ্রণটি ব্যবহারের পর আর শ্যাম্পু করা যাবে না। প্রাকৃতিক উপায়ে চুল কালো করার এই পদ্ধতি কেবল দীর্ঘস্থায়ী রং-ই দেয় না, বরং চুলকে খুশকি মুক্ত করে আরও ঘন ও ঝলমলে করে তোলে।
আরটিভি/এএইচ





